আত্রাইয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ খোলার পর শিক্ষার্থীরা ফিরে পেল প্রাণের স্পন্দন

আবুহেনা নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দীর্ঘ দেড় বছর পর দেখা হচ্ছে বন্ধু-সহপাঠীদের সাথে।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ খোলার পর শিক্ষার্থীরা ফিরে পেল প্রাণের স্পন্দন।

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অবশেষে শ্রেণিকক্ষে ফিরলো। দিনের শুরুতে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার অনেক এলাকাতেই দেখা গেছে পথে পথে ছেলেমেয়েরা হেঁটে যাচ্ছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক,উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। কেউ অভিভাবকের সাথে। কেউ সহপাঠীদের সাথে দল বেঁধে। কেউবা একাকী। পিঠে ব্যাগ নিয়ে দলে দলে শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। তাদের চেহারায় ছিল খুশির ঝিলিক। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সৃষ্ঠি করে বিদ্যালয়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে এমন উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে।
সারা দেশের ন্যায় উপজেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ পূর্বক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ১২ সেপ্টেম্বর সকালে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনে যান আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও)মো.ইকতেখারুল ইসলাম ।

এসময় সাথে ছিলেন আত্রাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার।

এ’প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান,বিগত ৩ দিন যাবৎ বিদ্যালয় গুলো মনিটরিং করা হয়েছে।খোলার দিন বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সন্তোষজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সম্পর্কে
বান্দাইখাড়া টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী,আহসান উল্লাহ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো.সাজেদুল করিম,সিংসাড়া কে ইউ ডি এম হাইস্কুল ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ,সিংসাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো.আশরাফুল ইসলাম মিঠু, প্রমুখ পৃথক পৃথক সাক্ষাৎকারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন।

পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাতা-পিতা ও অভিভাকেরা আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করতে পরিদর্শনকালে দেখা গেছে । সিংসাড়া কে ইউ ডি এম হাইস্কুল ও কলেজের ১০ শ্রেণির ছাত্র আরফাত হোসেন এবং সুলতানা ইয়াসমিন। আহসান উল্লাহ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণীর ছাত্র সাদাত হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন দেড় বছর পর তারা স্কুলে উপস্থিত হতে পেরে খুবই আনন্দিত। অতীথের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তারা নিরলস পরিশ্রম করে যাবেন।

শর্টলিংকঃ