তানোরের মাদারীপুর বাজারে অবৈধ ফার্মেসীর ছড়াছড়ি

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

রাজশাহীর তানোরের কাঁমারগা ইউপির মাদারীপুর বাজারে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অবৈধ ফার্মেসী। প্রশাসনের সঠিক নজরদারি না থাকায় ড্রাগ লাইসেন্স, কেমিস্ট ও ফার্মাসিস্ট ছাড়াই গড়ে উঠেছে এসব ওষুধের দোকান। সরকারি রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এন্টিবায়েটিকসহ সব ধরনের ওষুধ বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। আর এতে করে মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুঁকি মধ্যে পড়েছে এলাকাবাসী। নিম্ন আয়ের মানুষের চিকিৎসা সেবার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে লাইসেন্সবিহীন এসব ফার্মেসি। ওষুধের দোকানগুলোতে কোনো ধরণের কেমিস্ট বা ফার্মাসিস্ট না থাকলেও সবধরনের রোগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মাদারীপুর বাজারে ১৮টি ফার্মেসী রয়েছে এর মধ্যে ৩টির অনুমোদন রয়েছে বাঁকি ১৫টি অবৈধ। স্থানীয়রা জানান, মেসার্স এসকে ফার্মেসী ও মেসার্স বিলকিস ফার্মেসীর কোনো অনুমোদন নাই, এরা মানবদেহের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করার পাশাপাশি চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই এ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করছে। অধিকাংশক্ষেত্রে এদের কেউ কেউ মেয়াদোত্তীর্ন ও ঢাকা মিড ফোর্ট এলাকা থেকে নকল ওষুধ বিক্রি করে বলেও এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৪০ অনুসারে ওষুধের দোকান বা ফার্মেসি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই ওই ব্যক্তিকে কমপক্ষে ছয় মাসের ফার্মাসিস্ট কোর্স করে সনদ সংগ্রহ করতে হবে। পরে সংশ্লিষ্ট ড্রাগ সুপারের কার্যালয়ে ফার্মাসিস্ট সনদ জমা দিয়ে ড্রাগ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। ড্রাগ সুপার আবেদন যাচাইয়ের পর ড্রাগ লাইসেন্স দিলেই কেবল ওষুধের ব্যবসা বা ফার্মেসি করা যাবে। স্থানীয় সমাজসেবক শরিফ উদ্দিন বলেন, ওষুধের মতো স্পর্শকাতর ব্যবসায় অবশ্যই সরকারের আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা উচিত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, প্রেসক্রিপশন ও ফার্মাসিস্ট সনদ ব্যতিত ওষুধ বিক্রি করা অবৈধ। যারা সরকারী নিয়ম অমান্য করে ওষুধ বিক্রি করছে তাদের তালিকা তৈরি করে প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শর্টলিংকঃ