পশ্চিম বাংলায় ভোট পরবর্তীত খুন, ধর্ষণ, ঘরবাড়ি লুট তদন্তের ভার পেল সি বি আই – কলকাতা হাইকোর্ট

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম

আজ কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা ছয়টি জনস্বার্থ মামলার পশ্চিম বাংলা বাংলায় ভোট পরবর্তীতে বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের উপর শাসক দলের নেতা ও কর্মীরা পশ্চিম বাংলায় বিভিন্ন জেলায় যে অত্যাচার করেছিল তার সঠিক ভাবে পুলিশ কোন ব্যাবস্থা নেয়নি। তার মধ্যে বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের উপর মারধর ও বাড়ি ভাঙচুর এবং খুন এবং ধর্ষণ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ছিল। যায় মধ্যে, ৩৩৫৪,টি, অভিযোগ করা হয়। এফ আই আর হয়, ৬৫১,টি। কিন্তু ভোট পরবর্তীতে বিরোধী দলের উপর যে অত্যাচার করা হয় তার সঠিক তদন্ত পুলিশ ঠিক মতো করে নি পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ শ্রী রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি শ্রী হরিশ টন্ডন বিচারপতি শ্রী ইন্দ্র প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি শ্রী সোমেন সেন ও বিচারপতি শ্রী সুব্রত তালুকদারের একলাসে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার তদন্ত শুরু করে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এর নির্দেশে।তদন্ত শুরু করার ভার দেওয়া হয় ভারতের সিবিআই ও ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ও ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য এবং ভারতের লিগ্যাল সার্ভিস কমিশন কে। তারা তদন্ত শুরু করলে বিভিন্ন যায়গায় বাধা প্রাপ্ত হয় শাসক দলের তরফ থেকে ও কোথাও কোথাও তাদের কে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তৃনমূল দলের নেতা ও কর্মীরা। তারা অনেক যায়গায় পুলিশের সাহায্য ঠিকমতো পালন করে নি বলে অভিযোগ করেন। এবং অনেক যায়গায় পুলিশের সামনে তাদের কে হেনস্তা করে শাসক দলের নেতা ও কর্মীরা। তার মধ্যে কলকাতার যাদবপুর এলাকায় পুলিশের সামনে ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ও ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যদের উপর হামলা চালায়। তা নিয়ে কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার যাদবপুর জনাব রসিদ মুনির খান কে শো কাজ করে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এর পর পশ্চিম বাংলা সরকারের পক্ষে এই মামলার বিরুদ্ধে সওয়াল করে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শ্রী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এবং ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের পক্ষে এই মামলায় লড়াই করেন সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডিশনাল সলিটর জেনারেল আইনজীবী শ্রী ওয়াই জে দস্তর। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আজ এই মামলার রায় দিতে গিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এর বিচারপতিরা বলেন এই মামলা কোন সাধারণ মামলা নয়। এই মামলার তদন্ত শুরু করার ভার দেওয়া হয়েছে ভারতের সিবিআই কে। তারা প্রতিটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করবে। এবং সি বি আই কে তদন্ত শুরু করতে যে খানে যাবে তাদের কে পুনরায় পুলিশের নিরাপত্তা দিতে হবে। এবং সেই সঙ্গে তিন জনের একটি সিট গঠন করা হয়েছে। এর সিট কম গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত শুরু করবেন। এই সিট এর মধ্যে রাখা হতে পারে কলকাতা পুলিশের ডি জি শ্রী সৌমেন মিত্র আই পি এস ও সুমন বালা সাউ এবং শ্রী নিলেশ কুমার। তবে সিবিআই কে দিয়ে যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে তা দেখার জন্য ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কে রাখতে বলা হয়েছে। এবং এই তদন্ত ছয় সপ্তাহ এর মধ্যে শেষ করে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এ জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। এই মামলার তদন্ত কমিটি যে রিপোর্ট জমা দেবে তা দেখার পর পরবর্তীতে এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন।।

শর্টলিংকঃ